সোনারগাঁ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে এক বিশাল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযানে ৪টি অবৈধ চুন কারখানার ১০টি গ্যাস ভাট্টি এক্সক্যাভেটর (ভেকু) দিয়ে সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এর ফলে তিতাস গ্যাসের দৈনিক প্রায় ২০ হাজার ঘনফুট অবৈধ গ্যাস লোড বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়েছে, যা দৈনিক প্রায় ৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা সাশ্রয় করবে।
রবিবার (০৫ জুলাই, ২০২৬) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আঞ্চলিক বিক্রয় বিভাগ সোনারগাঁয়ের আওতাধীন জোনাল বিক্রয় অফিসের উদ্যোগে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সৈকত রায়হান এবং তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ আঞ্চলিক বিপণন অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) প্রকৌশলী শফিউল আউয়াল।
তিতাস গ্যাস অফিস সূত্রে জানা যায়, সোনারগাঁয়ের পিরোজপুর ও ঝাউচর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে তিতাসের উচ্চচাপ সম্পন্ন লাইন থেকে সংযোগ নিয়ে চুন তৈরির কারখানা পরিচালনা করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দিনব্যাপী এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান শেষে মোট ২২টি ভাট্টি বার্নার ও ৭টি বেলচাসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ পাইপ পাইপলাইন জব্দ ও বিনষ্ট করা হয়। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, এই ৪টি কারখানার ১০টি ভাট্টিতে প্রতি ঘণ্টায় ২০ হাজার ঘনফুট গ্যাস অবৈধভাবে পুড়ছিল।
এ বিষয়ে প্রকৌশলী শফিউল আউয়াল জানায়, মোবাইল কোর্টের উপস্থিতি টের পেয়ে কারখানাগুলোর মালিক ও কর্মচারীরা আগেই পালিয়ে যাওয়ায় স্পটে কাউকে জরিমানা বা কারাদণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে তিতাসের এই কঠোর অবস্থান এবং উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে তিতাস গ্যাস সোনারগাঁও জোনাল অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন